কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি একটি ছবি, যেখানে বৈশিষ্ট্যগুলো বেশ… উদার। একই নারীর আরেকটি ছবি, বাস্তব, কোনো অস্বাভাবিক বিস্তারিত ছাড়াই। এতেই ইন্টারনেটের অর্ধেক মানুষ নিজেকে এমন এক মিথে বিশ্বাস করিয়ে ফেলল, যার অস্তিত্বই কখনও ছিল না। 😂

এভাবেই সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো বড় প্রশ্নটির জন্ম হলো: “কেন সব উরুগুয়ের নারীর স্তন বড়?” উত্তরটা, এমন গুজবের ক্ষেত্রে যেমনটা প্রায়ই হয়, ততটাই সহজ যতটা হতাশাজনক: কেউ দুটি ছবির তুলনা করেছিল, কিন্তু কোনটি আসল তা পরিষ্কার করেনি, আর ভুল বোঝাবুঝিটা নিজে নিজেই ছড়িয়ে পড়ে। AI-ই এই মিথ বানিয়েছে; জীববিজ্ঞান বিশেষ কিছুই করেনি। 🤷

আর এটাই শতাব্দীর নীতিকথা: যদি এমন কোনো ছবি দেখেন যা ঠিক আপনি যা বিশ্বাস করতে চেয়েছিলেন সেটাই প্রমাণ করে, তাহলে সম্ভবত কেউ এক ক্লিকে পাঁচ সেকেন্ডে সেটি বানিয়ে ফেলেছে। প্রত্যাশা অনেক উঁচুতে উঠেছিল… বাস্তবতা একটানা নেমে এলো। ✈️

