Lexi Chapman এমন এক বিষয়ের জন্য প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন, যা বেছে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁর ছিল না: তাঁর বাঁ হাত ও গলা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা লাল ও বেগুনি রঙের একটি দাগ।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছোট্ট মেয়েটি সুখেই ছিল, এসব নিয়ে তার মাথাব্যথা ছিল না। 11 বছর বয়সে স্কুল বদলানোর পর সবকিছু ভেঙে পড়ল। তারা তাকে “অদ্ভুত মেয়ে” বলে ডাকত। বলত, তার ত্বকের দাগটা নাকি বিশাল “চুমুর দাগ”। সে লম্বা হাতার জামা ও স্কার্ফ দিয়ে নিজেকে ঢেকে রাখত, কিন্তু কিছুতেই কাজ হয়নি।
বছরের পর বছর সে ভেবেছিল, এটি পোর্ট-ওয়াইন দাগ, কেবল একটি সাধারণ জন্মদাগ। পরিবারের কেউই এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। কিন্তু কিছু একটা মিলছিল না: তার ব্যথা হতো এবং কখনো কখনো তার হাত অবশ হয়ে যেত।

18 বছর বয়সে তিনি নিজেই খোঁজখবর নিয়ে উত্তরটি খুঁজে পান। এটি শুধু একটি দাগ ছিল না। এটি ছিল ক্লিপেল-ট্রেনোনে সিনড্রোম—একটি বিরল রোগ, যা হাড় ও পেশির ক্ষতি করতে পারে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিকিৎসা না করালে এটি তাঁর আয়ু কমিয়ে দিতে পারত। তাঁকে সতর্ক করা হয়েছিল যে সময়ের সঙ্গে তাঁর হাতটি সরু হয়ে যেতে পারে।
আজ প্রতি চার থেকে ছয় সপ্তাহে তাঁর চিকিৎসা হয়, আর তিনি জানেন যে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি সব সময়ই রয়েছে। ““নিজের চেহারা নিয়ে আমি স্বস্তিতে আছি,”” বলেন আটলান্টার এই তরুণী, যিনি ফ্লেবোটোমিস্ট হিসেবে কাজ করেন।

এখনো অপরিচিত লোকেরা রাস্তায় তাঁকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করে, তাঁর কী হয়েছে। তিনি আর নিজেকে লুকিয়ে রাখেন না।
আজ তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ত্বক দেখান, যাতে অন্য মেয়েদের একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। 💜
তোমার ত্বকের জন্য তারা তোমাকে হুমকি দিয়েছিল। সে সেটাকেই নিজের পতাকা বানিয়েছে।

