চার্লি বেসউইক এমন একটি প্রশ্ন নিয়ে ভাবা থামাতে পারেন না।

তিনি তাঁর প্রতিবন্ধী ছেলের মা ও পরিচর্যাকারী, আর প্রতিদিন তার যত্নে কাটানো সময়ের সঙ্গে একই প্রশ্নটি জড়িয়ে থাকে: তিনি মারা গেলে তার কী হবে? তিনি কোনো সুদূর ভবিষ্যৎ বা বিমূর্ত ধারণার কথা বলছেন না। তিনি বলছেন বাড়ির খালি চেয়ারটির কথা, সেই দৈনন্দিন রুটিনগুলোর কথা যা আর কেউ জানে না, আর এমন এক পুরো জীবনের কথা, যা আজ তাঁর হাতের ওপর নির্ভরশীল।

এই প্রশ্নটিই বিবিসির নিবন্ধটির শিরোনাম দিয়েছে, আর চার্লির গল্পজুড়ে এটিই ফিরে ফিরে এসেছে। তাঁর অভিজ্ঞতা এমন হাজারো পরিবারের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন, যারা প্রতিবন্ধী সন্তানের যত্ন নেয় এবং ভবিষ্যতের কথা ভাবলে নিজেদের বার্ধক্য কেমন হবে তা নিয়ে নয়, বরং তারা আর না থাকলে কে তাদের সন্তানের পাশে থাকবে, তা নিয়ে ভাবে।

যে মা প্রতি রাতে নিজেকে এই প্রশ্নটি করেন, তাঁকে আপনি কী বলবেন?
