২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ ইন্দোনেশিয়ার ন্যায়পালের একটি আকস্মিক পরিদর্শন জাকার্তার দক্ষিণে পশ্চিম জাভার বোগরে অবস্থিত সিবিনং কারাগারে পৌঁছায়। সেখানে সাধারণ সেলগুলো থেকে আলাদা কিছু জিনিস দেখা যায়: বাড়ির মতো আরাম-আয়েশসহ আবাসন, উচ্চমূল্যের যানবাহন এবং একটি জিম। সেখানে একটি গলফ সিমুলেটর নির্মাণাধীনও ছিল, আর বাইরে যাওয়ার একটি পথের দরজায় কোনো তালা ছিল না। একই কারাগারে দৃশ্যটি যেন দুটি বাস্তবতাকে একত্র করেছিল: বন্দিত্ব আর আরামদায়ক জীবন।

এই পরিদর্শনের ফলে একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু বন্দি হয়তো নির্দিষ্ট কিছু ইউনিট ব্যবহার করেছিলেন; তাঁদের মধ্যে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত একজনও ছিলেন বলে জানা গেছে। প্রতিটি আবাসনের ব্যবহার এবং কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব তদন্তের আওতায় আসে।

তদন্ত চলাকালে সিবিনং কারাগারের পরিচালক এবং আরও চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তদন্তের বিষয় ছিল, কারাগারের ভেতরে ওই স্থাপনাগুলো কীভাবে চালু হয়েছিল।
৩০ সেপ্টেম্বর, পরিদর্শনের এক সপ্তাহ পর, সংশোধন অধিদপ্তরের মহাপরিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হয়। সাত দিনের মধ্যে ঘটনাটি আকস্মিক পরিদর্শন থেকে সাময়িক বরখাস্ত ও ভবনধ্বংসের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। স্থাপনাগুলো উধাও হয়ে যায়; তদন্ত চলতে থাকে।

