২০১০ সালে নিউ ইয়র্ক পুলিশ কালিফ ব্রাউডারকে একটি ব্যাকপ্যাক চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। তার নিম্ন-আয়ের পরিবার 3,000-dollar জামিনের টাকা দিতে পারেনি। এতেই এমন এক তরুণ, যার বিরুদ্ধে কোনো দণ্ড ছিল না এবং কোনো বিচারও হয়নি, দেশের সবচেয়ে সহিংস ও বিতর্কিত আটক কেন্দ্রগুলোর একটি রাইকার্স আইল্যান্ডে বন্দি হয়ে যায়।

এরপর যা ঘটেছিল, তা মেনে নেওয়া কঠিন: প্রায় তিন বছর ধরে বিচারব্যবস্থা তার মামলাটি কোনো সমাধান না দিয়েই বারবার পিছিয়ে দেয়। আর বিলম্ব যত বাড়তে থাকে, ব্রাউডার প্রায় 700 দিন একাকী বন্দিত্বে কাটান, যাকে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতনের একটি রূপ বলে বর্ণনা করেন। কেউ তাকে দোষী সাব্যস্ত করেনি। কেউ প্রমাণও করতে পারেনি যে তিনি দোষী ছিলেন। তিনি শুধু বন্দিই রয়ে গিয়েছিলেন, কারণ প্রাতিষ্ঠানিক যন্ত্রপাতির তাকে নিয়ে দ্রুত কিছু করার কোনো তাড়া ছিল না।

২০১৩ সালে সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয় এবং তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কয়েক বছর পরে, দেওয়ানি মামলার নিষ্পত্তির জন্য নিউ ইয়র্ক সিটি তার পরিবারকে 3.3 million dollars দিতে সম্মত হয়। এই অর্থও সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়, যা এই মামলাটি খোলা রেখে যায়: কীভাবে একটি বিচারব্যবস্থা একজন মানুষের জীবনের তিন বছর কেড়ে নিতে পারে, যখন তাদের বিরুদ্ধে কখনোই কিছু প্রমাণ করতে পারেনি।

