সেদিন রাতে Anthony Omari-র একটাই লক্ষ্য ছিল: কেনিয়ার Ngong-এর এতিমখানায় থাকা 37 জন শিশুর যেন কারও কোনো ক্ষতি না হয়। মাচেটি হাতে ছয়জন লোক অন্ধকার চিরে ভেতরে ঢুকে পড়লে, তিনি কাউকে ডাকেননি, সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করেননি, বা সম্ভাবনা-অসম্ভাবনার হিসাব কষেননি। তিনি সব শিশুদের একত্র করলেন, তাদের একটি ঘরে নিয়ে গেলেন, এবং নিজের শরীর দিয়ে প্রবেশপথ আটকে দিলেন।

এরপর যা ঘটেছিল, তা ছিল এক অসম লড়াই। Anthony মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং হামলাকারীদের সামনে, একা, মেঝেতে অচেতন হয়ে পড়ে যান। কিন্তু সেই মুহূর্তে কিছু একটা রাতের গতিপথ বদলে দেয়: হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। সব শিশুই অক্ষত ছিল।

আজ তার মুখে যে দাগটি রয়েছে, তা শুধু ত্বকের ওপর একটি চিহ্ন নয়। এটি প্রমাণ যে অস্ত্র ছাড়া, পাশে কাউকে ছাড়া, এবং কোনো নিরাপত্তার ভরসা ছাড়াও একজন মানুষ বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে জয়ী হতে পারে। Anthony Omari কোনো সৈনিক নন, কোনো সুপারহিরোও নন। তিনি ছিলেন একটি এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক, যিনি সেই মুহূর্ত এলে বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে নিজের জীবন তাদের জন্য বাজি রেখেছিলেন।

