একজন অভিভাবকের জন্য, একটি শিশুকে কষ্ট পেতে দেখা সবসময়ই বেদনাদায়ক, বিশেষ করে যদি তা স্কুলে বুলিংয়ের কারণে হয়, সেই জায়গায় যেখানে তাত্ত্বিকভাবে তাদের নিরাপদ ও শান্ত বোধ করার কথা।
কিন্তু সবসময় এমনটা হয় না, আর এই বাবা তা খুব ভালো করেই জানেন। যখন তিনি জানতে পারলেন যে তার মেয়েকে বুলিং করা হচ্ছে, তখন তিনি শুধু রাগ বা দুঃখ নিয়েই বসে থাকেননি। তিনি মার্শাল আর্ট সম্পর্কে নিজের সব জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তার ছোট মেয়েটিকে নিজেকে কীভাবে রক্ষা করতে হয় তা শেখানোর সিদ্ধান্ত নিলেন।

উদ্দেশ্য ছিল না তাকে সহিংস কেউ বানানো বা বলা যে সবকিছু ঘুষি মেরে সমাধান করতে হবে। উদ্দেশ্য ছিল তাকে কিছু উপায়, আত্মবিশ্বাস, এবং আবার কেউ যদি তাকে পিষে ফেলতে চায় তবে প্রতিক্রিয়া জানানোর একটি পথ দেওয়া।
আর এটাই এই গল্পের সবচেয়ে স্পর্শকাতর দিক। কারণ শেষ পর্যন্ত এই বাবা তাকে শুধু আত্মরক্ষার কৌশলই শেখাননি: তিনি তাকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে যারা তাকে বিরক্ত করে তাদের সামনে তাকে স্থির, ভীত, বা নিজেকে ছোট মনে করে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না।

এখন মেয়েটি জানে যে সে সীমারেখা টানতে পারে। আর যদিও আশা করা যায় কোনো শিশুকেই অন্য শিশুদের থেকে নিজেকে রক্ষা করতে শেখার প্রয়োজন হবে না, অন্তত তার কাছে নিজেকে একটু শক্তিশালী অনুভব করার একটি উপায় থাকবে।
ভিডিওটি দেখুন:
