
শেফিল্ডের সেই তরুণের করোটির ভেতরে মস্তিষ্কের টিস্যুর বদলে প্রায় সম্পূর্ণই ছিল সেরিব্রোস্পাইনাল তরল। যেখানে স্বাভাবিক মস্তিষ্কের টিস্যুতে ভেন্ট্রিকল ও কর্টেক্সের মধ্যে 4.5 centimeters পরিমাপ থাকে, সেখানে তাঁর ছিল প্রায় 1 millimeter। তবু তিনি গণিতে অনার্সসহ স্নাতক হয়েছিলেন এবং তাঁর IQ ছিল 126।
১৯৮০-এর দশকে ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের ব্রিটিশ স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ John Lorber-ই এই ঘটনাটি নথিবদ্ধ করেছিলেন এবং পরে গুরুতর হাইড্রোসেফালাসে আক্রান্ত ডজনখানেক রোগীর ওপর গবেষণাটি বিস্তৃত করেন। ফলাফল ছিল সমানভাবে বিস্ময়কর: সবচেয়ে গুরুতর দলে, যেখানে করোটির 95% অংশ ভেন্ট্রিকলের স্ফীতিতে দখল হয়ে গিয়েছিল, সেখানে রোগীদের অর্ধেকের IQ ছিল 100-এর বেশি। Lorber উপসংহারে পৌঁছেছিলেন যে মানব মস্তিষ্ক—তার 86 billion neurons-সহ—এমন এক সংরক্ষণ ও পুনরাবৃত্ত সক্ষমতা ধারণ করে, যা বিজ্ঞান এখনও পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না।
এই ঘটনাগুলো যে প্রশ্ন তোলে, তা মোটেই ছোট নয়: যদি কেউ মস্তিষ্কের টিস্যুর ন্যূনতম অংশ নিয়ে চিন্তা করতে, শিখতে এবং কাজ করতে পারে, তবে আপনি আর আমি আমাদের ভেতরে যে বাকি মস্তিষ্ক বহন করছি, সেটি ঠিক কী করছে?
