বাহেয়া আলী সুলেইমানের বয়স 32 বছর, যখন তার পৃথিবী ভেঙে পড়ে।
তার স্বামী এক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে চলাফেরা বা কাজ করার ক্ষমতা হারান, আর একদিনের মধ্যেই মিশরের বেনি সুয়েফে সে তার তিন সন্তানের একমাত্র উপার্জনকারী হয়ে ওঠে।

প্রথমে সে পরিবারের টুকটুক চালাত। এরপর সে নির্মাণশিল্পে যোগ দেয়, কয়েক ডজন পুরুষের সঙ্গে ইট ও বালি বহন করত—যারা তাকে এক মুহূর্তের জন্যও স্বস্তি দিত না।

হয়রানি থেকে বাঁচতে সে এক চরম সিদ্ধান্ত নেয়: চুল কেটে ফেলে, ঘোমটার বদলে পুরুষের পোশাক পরে এবং “বাকার” নামে বছরের পর বছর কাজ করে।

দিনে সে দেয়াল নির্মাণ করত; রাতে কয়েকটি অতিরিক্ত পেসো উপার্জন করতে আবার টুকটুকে উঠে বসত। তবুও তা যথেষ্ট ছিল না। তার ঋণের বোঝা এতটাই শ্বাসরুদ্ধকর হয়ে উঠেছিল যে সেগুলো শোধ করার জন্য শেষ পর্যন্ত তাকে প্রায় 800 ডলারে নিজের একটি কিডনি বিক্রি করতে হয়।

তার গল্প যখন মিশরের টেলিভিশনে পৌঁছায়, তখন পুরো দেশ জানতে পারে যে “বাকার”-এর আড়ালে ছিলেন এমন এক মা, যিনি নিজের সন্তানদের জন্য নিজের শরীরকেও ঝুঁকিতে ফেলেছিলেন।
