মোগার তার কাছে কেবল একটি গাভীই ছিলেন না। তিনি ছিলেন তার সঙ্গী, একজন মা এবং এমন এক প্রাণী, যিনি তাকে ততটাই ভালোবাসা দিয়েছিলেন, যতটা তিনি তাকে দিয়েছিলেন। তাই তিনি যখন মারা গেলেন, লোকটির মনে হলো, এমন এক দায়িত্ব তার ওপর এসেছে, যা থেকে তিনি সরে যেতে পারেন না: মীরার যত্ন নেওয়া, তার ছোট্ট বাছুরটির।


ভারতে বসবাসকারী লোকটি বলেন, মীরার জন্ম দিতে মোগারের খুব কষ্ট হয়েছিল। মায়ের মৃত্যুর সময় মীরার বয়স ছিল মাত্র কয়েক মাস। এখন মাকে ছাড়া ছোট্ট বাছুরটি তার যত্নের ওপর নির্ভরশীল, আর সে যাতে ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে, তার জন্য যা যা করা সম্ভব, সবই করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
যদিও তিনি স্বীকার করেন, একা কীভাবে মীরাকে বড় করবেন তা তিনি জানেন না, তবু হাল ছাড়বেন না বলে তিনি নিশ্চিত। তার কাছে, বাছুরটির যত্ন নেওয়া হলো মোগারকে সম্মান জানানোর এবং তার কাছ থেকে পাওয়া সমস্ত স্নেহের প্রতিদান দেওয়ার একটি উপায়।
কারণ মোগার শুধু এমন এক গাভী ছিলেন না, যাকে তিনি গভীরভাবে ভালোবাসতেন। তিনি ছিলেন একজন মা, যিনি তাঁর ভালোবাসার মাধ্যমে লোকটির জীবনে এক অমোচনীয় ছাপ রেখে গেছেন। আর এখন তিনি নিশ্চিত করতে চান, মোগারের মেয়ে যেন সেই একই ভালোবাসার মধ্যে বড় হয়, যা তার মা তাকে দিতেন।
