ডল্ফ টেক ওভার চাননি যে তাঁর বিয়েটা একজনের জন্য বোঝা হয়ে উঠুক।

তাই, তাঁর স্ত্রী Keyonta Maiko-র সঙ্গে মিলে তিনি এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছেন, যেখানে কোনো খরচ একা কেউ বহন করে না এবং কোনো কাজও একা কেউ করে না: তিনি যদি ভাড়া দেন, স্ত্রী ইউটিলিটি বিল দেন; তিনি যদি গাড়ির কিস্তি দেন, স্ত্রী বিমার খরচ দেন। আর বিষয়টি শুধু টাকা-পয়সাতেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি যদি বাসন ধুয়ে দেন, স্ত্রী রান্না করেন। তিনি যদি সিনেমার টিকিটের খরচ দেন, স্ত্রী নাশতা কেনেন। তিনি যদি ঝাড়ু দেন, স্ত্রী মোছেন। তিনি যদি স্ত্রীকে রাতের খাবার খাওয়াতে নিয়ে যান, স্ত্রী টিপ দেন।

ডল্ফের কাছে বিয়ে হলো এমন একটি অংশীদারত্ব, যেখানে দুজনেই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী অবদান রাখে—এমন নয় যে একজন সুবিধা নেবে আর অন্যজন পুরো দায়ভার বহন করবে। তাঁর পোস্টে বিভক্ত মন্তব্যের ঢল নামে—কেউ এই ভারসাম্যের প্রশংসা করেন, আবার কেউ মনে করেন, ভালোবাসায় হিসাব রাখা উচিত নয়।
ডল্ফের ভাষ্য অনুযায়ী হিসাবটা হলো:

আমি যদি ভাড়া দিই, সে ইউটিলিটি বিল দেবে ‼️
আমি যদি গাড়ির কিস্তি দিই, সে বিমার খরচ দেবে ‼️
আমি যদি বাসন ধুই, সে রান্না করবে ‼️
আমি যদি সিনেমার টিকিটের খরচ দিই, সে নাশতা কিনবে ‼️
আমি যদি কাপড় ধুই, সে তা ভাঁজ করবে ‼️
আমি যদি মেঝেতে ঝাড়ু দিই, সে তা মুছে দেবে ‼️
আমি যদি রাতের খাবারের বিল দিই, সে টিপ দেবে ‼️
আমি যদি টাকা দিই, সে আমাকে টাকা দেবে ‼️
আমরা দুজনেই অবদান রাখছি…
