
সেটা ছিল 1922 সাল, আর টরন্টোর সেই হাসপাতালের ওয়ার্ডটি ছিল, মূলত, বিদায় জানানোর একটি ঘর। 😔 কোমায় থাকা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশুরা, যাদের শরীর ক্ষয়ে যাচ্ছিল, আর পৃথিবীর কেউ জানত না কীভাবে তা থামানো যায়। প্রতিটি বিছানার পাশে বসে থাকা বাবা-মায়েরা শুধু অপেক্ষাই করতে পারতেন।
তারপর এলেন Frederick Banting, এক তরুণ সার্জন, এবং Charles Best, এক মেডিকেল ছাত্র। তারা ওয়ার্ডের এক বিছানা থেকে আরেক বিছানায় গিয়ে মাসের পর মাস ধরে যে পদার্থটি নিয়ে কাজ করছিলেন, তা ইনজেকশন দিতে লাগলেন। তারা যখন ঘরের অন্য প্রান্তে থাকা শেষ বিছানায় পৌঁছালেন, তখন প্রথম শিশুটি ইতিমধ্যেই চোখ খুলেছিল। 👀
একে একে, শিশুরা ফিরে এলো। আর যে ঘরটিতে কয়েক মিনিট আগেও মৃত্যুর গন্ধ ছিল, সেটি ভরে উঠল কাঁদতে থাকা বাবা-মায়েদের দিয়ে, যারা তারা যা দেখছিলেন তা পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারছিলেন না। Banting এবং Best সেই বছর প্রথমবার যে পদার্থটি পৃথক করতে সক্ষম হয়েছিলেন, তা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাস চিরতরে বদলে দিত। এর নাম ইনসুলিন। 💉
