তার বয়স ছিল মাত্র 63 বছর, আর তিন মাস ধরে তিনি এমন মাইগ্রেনে ভুগছিলেন, যার কোনো ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারেনি। 🩺
অবশেষে যখন তিনি ভিয়েতনামের একটি হাসপাতালে পৌঁছালেন, চিকিৎসকেরা তার গলা পরীক্ষা করে খাদ্যনালির ওপরের অংশে এমন কিছু দেখতে পেলেন, যা টিউমারের মতো লাগছিল। তারা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু তাকে কেটে দেখার পর সেখানে তাদের জন্য কোনো ক্যানসারাস পিণ্ড অপেক্ষা করছিল না: তার সাইনাস ও গলায় একটি জীবন্ত জোঁক আটকে ছিল, যা কয়েক সপ্তাহ ধরে নীরবে রক্ত খেয়ে চলছিল।
চিকিৎসকেরা চিমটা দিয়ে সেটিকে বের করে একটি ট্রের ওপর রাখলেন, যেখানে ক্যামেরার সামনে সেটি কিলবিল করতে থাকল। তারা ব্যাখ্যা করে জানান, সময়মতো এটি শনাক্ত না হলে পরজীবীটি আরও বাড়তে থাকত এবং তার শ্বাসনালি বন্ধ করে দিতে পারত। সবকিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ওই নারী পাহাড়ি এলাকায়, যেখানে তিনি থাকেন, সেখানকার একটি প্রস্রবণের পানিতে স্নান করার সময় আক্রান্ত হয়েছিলেন—এটি সেখানে একটি সাধারণ অভ্যাস। একটি সাধারণ স্নান, আর এমন এক অতিথি, যার আসার কথা কেউই দেখেনি। 🩸
