ইলন মাস্ক-এর নতুন ছবিগুলো আবারও তাঁর শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্যের ঝড় তুলেছে, তবে এবার এক তুলনা আলোচনাকে তাঁর হরমোনের দিকে নিয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ মাস্কের একটি ছবির পাশাপাশি বিরল ইস্ট্রোজেনের ঘাটতিতে ভোগা এক ব্যক্তির ছবি শেয়ার করতে শুরু করে এবং তাঁদের শরীরের গঠনের মিলের দিকে ইঙ্গিত করে। এই চিকিৎসাগত অবস্থায় এমন এক সমস্যা দেখা দেয়, যা ইস্ট্রোজেন উৎপাদনে প্রভাব ফেলে এবং শারীরিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটাতে পারে।


তুলনাটি এমন এক মন্তব্যের জন্ম দেয়, যা দ্রুত সবার নজর কাড়ে: “সে এত বেশি টেস্টোস্টেরন নিয়েছে যে তার ফলে তার ইস্ট্রোজেনের ঘাটতি হয়েছে”।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে: মাস্ক টেস্টোস্টেরন নিচ্ছেন বা তাঁর ইস্ট্রোজেনের ঘাটতি রয়েছে—এমন কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ নেই। এই মন্তব্যটি ইন্টারনেটে ছড়ানো জল্পনা, চিকিৎসাগত রোগনির্ণয় নয়।


টেস্টোস্টেরন নিয়ে মাস্কের নিজের প্রকাশ্য মন্তব্যের কারণেই সম্ভবত এই তত্ত্বটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, 2024 সালে তিনি “কম টেস্টোস্টেরন”-সম্পন্ন পুরুষদের নিয়ে একটি পোস্টে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন, যা The Guardian-এ পর্যালোচনা করা হয়েছিল। তবে এর অর্থ এই নয় যে তিনি টেস্টোস্টেরন ব্যবহার করছেন।
তাই তুলনাটি দেখতে যতই চমকপ্রদ হোক, এই সাদৃশ্য থেকে মাস্কের হরমোন বা স্বাস্থ্য নিয়ে আসলে কী ঘটছে, তা জানা যায় না।
