সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম জনপ্রিয় নান্দনিক প্রবণতার বিপরীত দিকে কাজ করে বলে ঠোঁট ছোট করার পদ্ধতিটি নজর কাড়তে শুরু করেছে। অনেক মানুষ যেখানে ভলিউম বাড়াতে চান, সেখানে অন্যরা আরও ভারসাম্যপূর্ণ অনুপাত অর্জনের জন্য ওপরের ঠোঁট, নিচের ঠোঁট বা উভয়ের আকার কমাতে পছন্দ করেন।

এই প্রক্রিয়ায় ঠোঁটের ভেতরের দিক থেকে টিস্যুর একটি ছোট অংশ অপসারণ করা হয়। এরপর অংশটিকে নতুন আকার দেওয়া হয় এবং সেলাই করা হয়, যাতে আরও ছোট ও স্পষ্ট কনট্যুর তৈরি হয়। এর একটি নান্দনিক সুবিধা হলো, দাগ সাধারণত মুখের ভেতরে লুকানো থাকে।

এটি সাধারণত স্থানীয় অ্যানেসথেশিয়ার অধীনে করা হয়, যদিও কিছু ক্ষেত্রে সেডেশনের প্রয়োজন হতে পারে। পরবর্তী প্রথম কয়েক দিন ফোলা, অস্বস্তি ও সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। চূড়ান্ত ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় না, কারণ টিস্যুর সেরে উঠতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে।

