দশকের পর দশক ধরে ডলি পার্টন তার স্বতন্ত্র স্টাইল, বিশাল চুলের সাজ এবং নজরকাড়া পোশাকের জন্য পরিচিত ছিলেন, কিন্তু তার চেহারার এমন একটি দিক ছিল যা তিনি খুব কমই দেখাতেন: তার বেশ কয়েকটি ট্যাটু ছিল। গায়িকা ব্যাখ্যা করেছিলেন যে সেগুলো ছিল ছোট ছোট প্যাস্টেল রঙের নকশা, যেগুলো তিনি মূলত দাগ ঢাকার জন্য করিয়েছিলেন।

পার্টন বলেছিলেন যে তার ত্বকে কেলয়েড টিস্যু তৈরি হওয়ার প্রবণতা রয়েছে এবং অস্ত্রোপচারের কিছু দাগ তার অপছন্দ ছিল। তাই তিনি সেগুলোকে এমন কিছুতে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নেন, যা তার সত্যিই ভালো লাগবে। বড়, গাঢ় ট্যাটু ব্যবহার না করে তিনি বেছে নেন সূক্ষ্ম, রঙিন নকশা।

এর মধ্যে একটি ট্যাটুর গল্প বিশেষভাবে কৌতূহলোদ্দীপক। পার্টন জানান, একবার তাকে ফিডিং টিউব ব্যবহার করতে হয়েছিল, আর সেই প্রক্রিয়ায় তার পাশের দিকে একটি ছোট দাগ থেকে যায়। সেটি ঢাকতে তিনি একটি ছোট হলুদ-বাদামি মৌচাক, যার ওপরে একটি মৌমাছি ছিল—এর ট্যাটু করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

গায়িকা আরও কিছু নকশার কথা উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে প্রজাপতি, ফুল, ফিতা এবং লেসের নকশা। বছরের পর বছর এসব ট্যাটু দেখা কঠিন ছিল, কারণ পার্টন সাধারণত এমন পোশাক পরেন যা তার বাহু এবং শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঢেকে রাখে।

এতে তার অনুসারীদের কৌতূহলও বেড়ে যায়, কারণ তারা বছরের পর বছর ধরে তার স্বভাবসুলভ পোশাকের নিচে তিনি কী লুকিয়ে রাখছেন তা জানার চেষ্টা করেছেন। কিছু ছবির কারণে সম্ভাব্য ট্যাটু নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে, কিন্তু পার্টন নিজেই নিশ্চিত করেছেন যে সেগুলো রয়েছে এবং ব্যাখ্যা করেছেন কেন তিনি ট্যাটু করানো শুরু করেছিলেন।

সুতরাং, আমেরিকান সংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখের আড়ালে ছিল আরও ব্যক্তিগত এক গল্প: পার্টন তার অপছন্দের কিছু দাগকে এমন ছোট ছোট নকশায় রূপ দিয়েছিলেন, যা তিনি সত্যিই নিজের ত্বকে রাখতে চেয়েছিলেন। শিল্পীর একটি কম-পরিচিত দিক, যা আজ তার উত্তরাধিকারের অংশ।
