33 বছর বয়সী এক ব্যক্তি তীব্র কোমরের নিচের অংশের ব্যথার অভিযোগ নিয়ে ডাবলিনের Adelaide and Meath Hospital-এ আসেন। তার ডান হাত পরীক্ষা করার সময় চিকিৎসকেরা যা খুঁজে পান, তা ছিল ভিন্ন এক গল্প: সূঁচ ফোটানোর স্থানের চারপাশে লাল, প্রদাহযুক্ত, শক্ত হয়ে যাওয়া একটি অংশ।

জিজ্ঞাসাবাদের মুখে রোগী স্বীকার করেন যে তিনি অনলাইনে কেনা একটি হাইপোডার্মিক সিরিঞ্জ দিয়ে 18 মাস ধরে মাসে একবার নিজের বীর্য ইনজেক্ট করে আসছিলেন। কোনো চিকিৎসাগত নির্দেশনা ছাড়াই। কোনো ক্লিনিক্যাল নজির ছাড়াই। তার যুক্তি ছিল: এটি দীর্ঘস্থায়ী পিঠের ব্যথা উপশমের একটি “উদ্ভাবনী” পদ্ধতি। যে দিন তিনি হাসপাতালে আসেন, সেদিন তিনি একসঙ্গে তিনটি ডোজ নিয়েছিলেন, রক্তনালির ভেতরেও এবং পেশিতেও। এক্স-রেতে দেখা যায় সাবকিউটেনিয়াস এমফাইসেমা, এডিমা, এবং হাতে নরম টিস্যুর মধ্যে জমে থাকা বীর্যের একটি সঞ্চয়।

চিকিৎসকেরা সঙ্গে সঙ্গে শিরায় অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা শুরু করেন। ঘটনাটি Irish Medical Journal-এ ‘Semenly Harmless Back Pain’ শিরোনামে প্রকাশিত হয় এবং এটিকে মানুষের ক্ষেত্রে চিকিৎসা হিসেবে বীর্য ইনজেকশনের ইতিহাসে প্রথম নথিভুক্ত ঘটনা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। ফোঁড়া থেকে পুঁজ বের করার আগেই রোগী নিজেই হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান।

