Donald Trump আবারও এমন এক গুজবের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে পড়েছেন, যা যেমন অদ্ভুত, তেমনই অস্বস্তিকর: তাঁর শরীর থেকে প্রস্রাবের তীব্র গন্ধ বের হয়। এই দাবিটি বহু বছর ধরে প্রচলিত, কিন্তু সাবেক প্রেসিডেন্টের কথিত গন্ধ নিয়ে উপহাস করে Adam Kinzinger একটি পোস্ট দেওয়ার পর এটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই গুজব এমন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে, যার সত্যিই জৈবিক ব্যাখ্যা আছে: বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের গন্ধ বদলে যায়। ত্বক বিভিন্ন ধরনের পদার্থ তৈরি করে, আর কিছু মানুষের শরীরে আরও বদ্ধ বা তীব্র গন্ধ তৈরি হয়—এটি 2-nonenal নামের একটি অণুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ঘটনা।

এবং এখানেই সেই সংযোগটি দেখা দেয়, যা গুজবটিকে এতটা অস্বস্তিকর করে তোলে: বার্ধক্য, শারীরিক অবক্ষয় এবং মৃত্যু—সমষ্টিগত কল্পনায়—প্রায়ই একসঙ্গে আসে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে কোনো নির্দিষ্ট গন্ধ কারও মৃত্যুর কাছাকাছি চলে আসার লক্ষণ।
উদাহরণস্বরূপ, অ্যামোনিয়া বা প্রস্রাবের গন্ধ পানিশূন্যতা, মূত্রসংক্রান্ত সমস্যা বা অসংযমের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এটি “মৃত্যুর গন্ধ” নয় এবং এর ভিত্তিতে একজন মানুষের আর কতটা সময় বাকি আছে, তা হিসাব করা সম্ভব নয়।
অন্য কথায়: এই গুজবটি মানুষের একেবারে স্বাভাবিক একটি ধারণাকে কাজে লাগায়—বয়স বাড়া মানেই জীবনের শেষের দিকে এগিয়ে যাওয়া—কিন্তু বিজ্ঞান শরীরের গন্ধকে কোনো রায়ে পরিণত করার অনুমতি দেয় না। 🫢

