1948 সালের December 1-এর সকালে অস্ট্রেলিয়ার Somerton Beach-এর বালিতে তাঁকে পাওয়া যায়।
গাঢ় রঙের স্যুট। পালিশ করা জুতো। পরিপাটি করে বাঁধা টাই। কোনো মানিব্যাগ নেই, কোনো নথি নেই, কোনো নাম নেই।
তিনি ছিলেন চল্লিশের কোঠার একজন মানুষ। কেউ তাঁকে নিজের বলে দাবি করেনি। কেউ তাঁকে চিনতে পারেনি।

তদন্তকারীরা কিছু পাওয়ার আশায় এটি খুলেছিলেন। এবং তাঁরা পেয়েছিলেন: তাঁর প্যান্টের গোপন ভাঁজে লুকানো এক টুকরো ক্ষুদ্র কাগজ। প্রাচীন ফারসিতে দুটি শব্দ: Tamam Shud।
“এটি শেষ হয়েছে।”
এই শব্দগুলো ছিল Omar Khayyam-এর কবিতার বই Rubaiyat-এর শেষ পাতাগুলোর অংশ। তাঁরা বইটির খোঁজ করেন। তাঁরা সেটি খুঁজে পান: কয়েক মাস আগে একই সৈকতের কাছে একটি গাড়ির পেছনের সিটে কেউ এটি রেখে গিয়েছিল। পেছনের মলাটে পেন্সিলে লেখা ছিল একটি কোড। কোনো দৃশ্যমান ক্রম ছাড়াই অক্ষরগুলো। কোনো পরিচিত সাংকেতিক লিপি নয়। কোনো সমাধান নেই।
চুয়াত্তর বছরের নীরবতা।

2022 সালে, University of Adelaide-এর একটি দল DNA-এর মাধ্যমে লোকটিকে শনাক্ত করে। তাঁর নাম ছিল Carl “Charles” Webb। তিনি ছিলেন একজন বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী, জন্ম 1905 সালে। তিনি বিবাহিত ছিলেন, পরে আলাদা হয়ে যান। তিনি সেই সৈকত থেকে একশোরও বেশি কিলোমিটার দূরে বাস করতেন।
তিনি কেন সেখানে গিয়েছিলেন, তা কেউ জানে না। তিনি কেন মারা গিয়েছিলেন, তাও কেউ জানে না। কোডটির উত্তর এখনও মেলেনি।
কিছু রহস্য সময় কেবল অর্ধেকটাই সমাধান করে। এটি আপনাকে নামটি ফিরিয়ে দেয়, কিন্তু গোপন কথাটি রেখে দেয়।
Somerton-এর মানুষটির এখন একটি পরিচয় আছে। তাঁর শুধু একটি গল্পের অভাব।
