Kenya_May নামে পরিচিত একজন টিকটক ইনফ্লুয়েন্সার Kenya_May সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন, একটি ভিডিও পোস্ট করার পর যেখানে তাকে ক্যামেরার সামনে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়।
ভিডিওটি সম্পর্কে তিনি লিখেছেন: “আমার ‘আমি ভালো নেই, কিন্তু আমাকে ভালো থাকতেই হবে, কারণ আমি একজন মা এবং ভালো থাকা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই’—এই পর্বে আছি”।

ইনফ্লুয়েন্সারের স্পষ্ট আবেগের কারণে ভিডিওটি মনোযোগ আকর্ষণ করে, কিন্তু বিতর্ক শুরু হয় যখন একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যাতে কথিতভাবে রেকর্ডিংয়ের নেপথ্যের সেটআপটি দেখা যায়।
ছবিটিতে একটি ট্রাইপডের ওপর রাখা ফোন, একটি রিং লাইট এবং ভিডিওটি রেকর্ড করার জন্য প্রস্তুত করা সম্পূর্ণ সেটআপ বলে মনে হওয়া কিছু জিনিস দেখা যায়।
ছবিটির সঙ্গে একটি ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন ছিল: “POV: তুমি বাড়ি এসে দেখলে, তোমার স্ত্রী আবার তার ‘ফোনের সামনে কাঁদার’ ভিডিওগুলোর একটি রেকর্ড করছে”।

এতেই ইনফ্লুয়েন্সাররা দুঃখ, কান্না বা দুর্বলতার মুহূর্তগুলোকে কনটেন্টে পরিণত করতে রেকর্ড করেন—এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
কিছু ব্যবহারকারী প্রশ্ন তোলেন, এমন অন্তরঙ্গ আবেগকে কি ভিউ পাওয়ার জন্য একটি প্রযোজনায় পরিণত করা যায়? অন্যরা বলেন, কেউ নিজেকে রেকর্ড করে নিজের অনুভূতি শেয়ার করার সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন, তাতে তাঁর কান্না মিথ্যা—এমনটা বোঝায় না।
এছাড়াও, কথিত ব্যাকস্টেজের ছবিটি আসলে Kenya_May-এর কি না বা সেটি কীভাবে তার ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল তা দেখায় কি না—কোনোটিই নিশ্চিত করা হয়নি।

এই ঘটনার বাইরে, আলোচনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমেই সাধারণ হয়ে ওঠা একটি প্রশ্ন উত্থাপন করে:
কোনো অনুভূতি যখন কনটেন্টে পরিণত হয়, তখন কি তা ব্যক্তিগত কিছু হিসেবেই থাকে, নাকি ভিউ পাওয়ার কৌশলও হতে পারে?
