মাত্র 20 বছর বয়সী এক তরুণী জ্বর হওয়ার পর তাইওয়ানের একটি হাসপাতালে যান, কিন্তু পরীক্ষার সময় চিকিৎসকেরা আরও বিস্ময়কর কিছু খুঁজে পান: তাঁর একটি কিডনির ভেতরে 300টিরও বেশি পাথর ছিল।

তাইনানের বাসিন্দা ওই নারীর অভ্যাস ছিল চা-জাতীয় পানীয় ও অন্যান্য প্রস্তুত পানীয় প্রায় এমনভাবে পান করা যেন সেগুলোই পানি। চিকিৎসা প্রতিবেদনের মতে, তিনি পর্যাপ্ত পানি পান করতেন না, যা মূত্রনালিতে স্ফটিক ও পাথর গঠনে সহায়তা করতে পারে।
চিকিৎসকেরা দেখতে পান যে তাঁর কিডনি বিভিন্ন আকারের পাথরে ভরা ছিল। কিছু ছিল ছোট, আর কিছু ছোট বানরুটির মতো আকারে পৌঁছেছিল।
তরুণীর পাথরগুলো অপসারণের জন্য একটি প্রক্রিয়া করা হয় এবং পরে তিনি হাসপাতাল ছাড়তে সক্ষম হন।

পাওয়া পাথরের সংখ্যা এবং রোগীর বয়সের কারণে ঘটনাটি বিশেষভাবে বিস্ময়কর ছিল। বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন যে অপর্যাপ্ত জলগ্রহণ প্রস্রাবে বিভিন্ন পদার্থের ঘনত্ব বাড়াতে পারে এবং পাথর গঠনে সহায়তা করতে পারে।
চা-জাতীয় পানীয় তরল সরবরাহ করতে পারলেও, এগুলো সম্পূর্ণভাবে পানি পান করার বিকল্প হওয়া উচিত নয়, বিশেষ করে যখন এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে।

একটি জ্বর শেষ পর্যন্ত এই তরুণীকে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং এমন কিছু প্রকাশ করে যা তিনি সম্ভবত কখনও কল্পনাও করেননি:
তাঁর একটি কিডনির ভেতরে 300টিরও বেশি পাথর জমে ছিল।
