তিনি ভেবেছিলেন এটি একটি ঘরোয়া চিকিৎসা: তিনি নিজেকে বীর্য ইনজেকশন দিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হন

Por Pablo Román
2 June, 2026

একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত ঘটনা, যা যেন কোনো অবিশ্বাস্য গল্প থেকে নেওয়া, আবারও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং পরিস্থিতিটি কতটা অস্বাভাবিক ছিল সে কারণে হাজার হাজার মানুষকে হতবাক করেছে।
33 বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার পিঠের ব্যথা সারানোর চেষ্টা করতে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যেখানে তিনি কোনো চিকিৎসাগত ভিত্তি ছাড়াই সম্পূর্ণ ঘরোয়া একটি পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন: নিজের বীর্য সরাসরি নিজের হাতে ইনজেকশন দেওয়া।

চিকিৎসা প্রতিবেদনের অনুযায়ী, রোগী জানান যে তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে এই প্রক্রিয়াটি বারবার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোগা কোমরের নিচের অংশের ব্যথা উপশমের উদ্দেশ্যে প্রতি মাসে নিজেকে “doses” প্রয়োগ করতেন। তবে ফলাফল তিনি যা আশা করেছিলেন, তার থেকে অনেক দূরে ছিল।


ঘटनাটি প্রকাশ্যে আসে যখন ওই ব্যক্তি তীব্র পিঠের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে আসেন, তখন চিকিৎসকেরা তার যে হাতে তিনি নিজেকে ইনজেকশন দিচ্ছিলেন সেখানে গুরুতর প্রদাহ ও সংক্রমণ শনাক্ত করেন। ক্লিনিক্যাল ছবিতে এমনকি ত্বকের নিচে বাতাস জমে থাকার প্রমাণও দেখা যায়, যা ছিল একটি গুরুতর জটিলতার ফল।

বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেছেন যে চিকিৎসা-সাহিত্যে এরকম কোনো ঘটনার নথি আগে কখনও পাওয়া যায়নি, এবং তারা যাচাইবিহীন চিকিৎসা বা পেশাদার তত্ত্বাবধান ছাড়া করা চিকিৎসা-পদ্ধতি চেষ্টা করার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।


ঘटनাটি দ্রুতই ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়গুলোর একটিতে পরিণত হয়, যেখানে ব্যবহারকারীরা পরীক্ষাটি কতটা চরম ছিল তা নিয়ে অবিশ্বাস, হাস্যরস এবং উদ্বেগের মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানান। কেউ কেউ এটিকে সম্পূর্ণ উদ্ভট ধারণা বলে বর্ণনা করেছেন, আবার অন্যরা এটিকে নিয়ন্ত্রণহীন ঘরোয়া চিকিৎসার ঝুঁকির একটি উদাহরণ হিসেবে দেখেছেন।

প্রাথমিক ধাক্কার বাইরে, চিকিৎসকেরা একটি মূল বিষয়ে জোর দিয়েছেন: এই ধরনের চর্চাকে সমর্থন করে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, এবং এর পরিণতি কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি গুরুতর হতে পারে।

Puede interesarte