তিনি প্রাপ্তবয়স্কদের দায়িত্ব পেছনে ফেলে এক বয়স্ক দম্পতির দ্বারা “দত্তক নেওয়া” হন, শিশুদের পোশাক পরেন এবং মেঝেতে বসে রং করতে করতে দিন কাটান। স্টেফনকনির সেই গল্প, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
চাপ, বিল এবং দায়িত্বে ভরা এক পৃথিবীতে, অনেকেই শৈশবে ফিরে যাওয়ার কল্পনা করেছেন। তবে Stefonknee Wolscht-এর ঘটনা সেই আকাঙ্ক্ষাকে এমন এক চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল, যা আগে কখনও গণমাধ্যমে দেখা যায়নি।


52 বছর বয়সে, সাত সন্তানের বাবা হিসেবে এবং কয়েক দশক ধরে প্রচলিত জীবনযাপন করার পর, স্টেফনকনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি আর প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের চাহিদার মুখোমুখি হতে চান না। তাঁর উত্তর ছিল সাধারণ অবসর বা পেশা পরিবর্তন নয়, বরং সম্পূর্ণ বয়স-প্রত্যাবর্তন: তিনি ঘোষণা করেন যে তাঁর প্রকৃত পরিচয় একটি 6 বছর বয়সী মেয়ের।


এই নতুন বাস্তবতাকে টিকিয়ে রাখতে স্টেফনকনিকে শূন্য থেকে তাঁর জীবন পুনর্গঠন করতে হয়েছিল। তিনি এক বয়স্ক বিবাহিত দম্পতির সঙ্গে থাকতে শুরু করেন, যারা তাঁকে তাদের ছোট মেয়ে হিসেবে “দত্তক নিতে” এবং তাঁর দাবি করা শিশুসুলভ পরিবেশ দিতে সম্মত হন:


- কোনো দায়িত্ব নেই: তাঁর দৈনন্দিন জীবন রং করার বই, পুতুল নিয়ে খেলা এবং বাগানে হাঁটাহাঁটি নিয়ে গঠিত।
- শিশুদের পোশাক: তিনি রঙিন নকশার পোশাক, চুলে ফিতা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়েদের মতো আনুষঙ্গিক জিনিস পরেন।
- সম্পূর্ণ যত্ন: তাঁর “দত্তক বাবা-মা” তাঁর খাবার তৈরি করেন, তাঁকে মাতৃসুলভ স্নেহ দেন এবং যেকোনো ধরনের প্রাপ্তবয়স্ক চাপ বা আর্থিক দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে দেন।

“আমি অস্বীকার করতে পারি না যে আমি একজন প্রাপ্তবয়স্ক ছিলাম, কিন্তু আমি আর তা হতে চাই না। এখন আমি শুধু খেলতে, আঁকতে এবং সেই মেয়ে হতে চাই, যে আমি শৈশবে কখনও হতে পারিনি”, তিনি এক প্রকাশ্য সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন।
