তিমির দুধ আপনার কল্পনার মতো মোটেও নয়। এর ঘনত্ব টুথপেস্টের মতো, এতে 35% থেকে 50% পর্যন্ত বিশুদ্ধ চর্বি থাকে, আর পানি থাকে প্রায় শূন্য। এটা বিবর্তনের খেয়ালখুশি নয়: খোলা সমুদ্রের মাঝখানে একটি শাবককে খাওয়ানোর এটাই একমাত্র উপায়, যাতে খাবারটি পৌঁছানোর আগেই গলে না যায়। 🐋
আর সেই দুধ কীভাবে শাবকের কাছে পৌঁছায়, সেই প্রক্রিয়াটিও সব প্রচলিত ধারণা ভেঙে দেয়। তিমির শাবকেরা বাছুর বা কুকুরছানার মতো দুধ চুষে খায় না। মায়ের স্তন্যগ্রন্থি তার দেহের ভাঁজের ভেতরে লুকানো থাকে এবং পেশির সংকোচনের মাধ্যমে সে দুধকে সরাসরি স্রোতের মতো ছুড়ে দেয় বাচ্চার মুখে। ফলাফল: জীবনের প্রথম কয়েক মাসে তিমির শাবক প্রতিদিন 80 থেকে 90 কিলো ওজন বাড়ায়। 🤯
এসবই পৃথিবীর খুব নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, ধূসর তিমিরা শুধু উষ্ণ, শান্ত জলে শাবককে দুধ খাওয়ানোর জন্য আলাস্কা থেকে মেক্সিকোর উপকূলে ভ্রমণ করে। লাতিন আমেরিকায়, কলম্বিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং দক্ষিণ চিলিও এই আচরণ পর্যবেক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। মূলত, সমুদ্রেরও নিজস্ব প্রসূতি ওয়ার্ড আছে। 🌊
@cabronazi নীল তিমি টুথপেস্টের মতো ঘন দুধ উৎপাদন করে। পানির নিচে শাবককে দুধ খাওয়ানোর সময়, দুধে 50% চর্বি থাকে যাতে তা সমুদ্রে গলে না যায়। এতে শাবকটি কঠিন পেস্টের মতো করে সরাসরি তা গিলতে পারে।#CapCut ♬ original sound – sun020576 – cherry
