এক মাস আগে, ভোজিনিয়া সেই একই বিমানবন্দর দিয়ে গিয়েছিলেন, আর কেউ মাথাও ঘুরিয়ে তাকায়নি। 40 বছর বয়সী এক গোলরক্ষক, পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের, নিজের প্রথম বিশ্বকাপের পথে। হাতে কেবল কেবিন ব্যাগ, আর উপচে পড়া স্বপ্ন।

গতকাল তিনি ফিরলেন, আর একটি পুরো দেশ তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল।
এবার আসে গৌরবের সবচেয়ে অদ্ভুত অংশ: সাধারণ জীবনে ফিরে যাওয়া। আমাদের কল্পনা করতে হবে, আগামী সপ্তাহে তিনি মিন্ডেলোতে রুটি কিনছেন, আর পুরো লাইন তাঁর সঙ্গে ছবি চাইছে। যে রাস্তাগুলোতে একসময় কেউ তাঁকে শুভেচ্ছাও জানাত না, সেসব পথে হাঁটছেন, এখন দশ মিটারও যেতে পারছেন না একটি আলিঙ্গন ছাড়া। যে শিশুরা একসময় ইউরোপীয় তারকাদের নাম চিৎকার করে বলত, তারা এখন বলবে তাঁর নাম, সেই ডাকনাম, যার গন্ধ ঘরের মতো: দাদি।
তিনি ফিরবেন তাঁর সাধারণ ক্লাবেও, ক্যামেরাবিহীন অনুশীলনে, এমন শট ঠেকাতে যেগুলো কেউ দেখবেই না। আর সেখানেই অপেক্ষা করবে শেষ পরীক্ষা: গ্লাভস একই, গোলপোস্টের মাপও একই। যা বদলেছে, তা হলো বাকি সবকিছু।
কিন্তু কিছু একটা আমাদের বলে, খ্যাতি তাঁকে গ্রাস করতে পারবে না। যে মানুষটি সবসময় নিজের Instagram-এ লিখেছেন, “তুমি কে, বা কোথা থেকে এসেছ, তা কখনও ভুলো না”, তাকে এটা মনে করিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। তিনি চল্লিশ বছর ছিলেন অচেনা: সরলতায় ফেরার পথ তাঁর মুখস্থ।
তিনি সেই রানওয়ে ধরে বেরিয়েছিলেন এক অজানা মানুষ হিসেবে। ফিরে এলেন একটি দেশের মুখ হয়ে।
আর সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপারটি: ভোজিনিয়া এখনও ঠিক আগের মতোই আছেন।
