তিনি হাঁটতে পারছিলেন না, তাঁর অগ্রসর পর্যায়ের ক্যান্সার ছিল, এবং তিনি একা ছিলেন—কলম্বিয়ার পালমিরার সান্তা ইসাবেল পাড়ার একটি পার্কে শুয়ে ছিলেন, যখন কিছু প্রতিবেশী তাঁকে খুঁজে পান।

তিনি নিজেই তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছিল তা বর্ণনা করেছেন: তাঁর আত্মীয়রা তাঁকে কালি থেকে ওই জায়গায় নিয়ে গিয়ে সেখানে নিজের মতো বাঁচার জন্য ফেলে রেখে যায়, জেনেও যে তাঁর নিয়মিত যত্নের প্রয়োজন।
ক্ষুব্ধ সম্প্রদায়টি জরুরি সেবায় ফোন করতে দেরি করেনি।
পালমিরা ফায়ার ডিপার্টমেন্ট তাঁকে উদ্ধার করে একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়, যেখানে তিনি এখন শারীরিক সেবার পাশাপাশি মানসিক সহায়তাও পাচ্ছেন।
কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ঘটনাটি তদন্ত করছে, যাতে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়, তাঁর পরিবারকে খুঁজে বের করা যায়, এবং পরিত্যাগের কোনো অপরাধ ঘটেছে কি না তা নির্ধারণ করা যায়।
এদিকে, তিনি একটি হাসপাতালে অপেক্ষা করছেন, এমন অপরিচিত মানুষদের ঘিরে, যারা গত কয়েক ঘণ্টায় তাঁর নিজের পরিবারের চেয়েও বেশি পরিবার হয়ে উঠেছে।
জাভেরিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা অনুযায়ী, কলম্বিয়ায় প্রতি বছর প্রায় 400 জন বয়স্ক মানুষ পরিত্যক্ত হন।
এটি এমন ঘটনাগুলোর মধ্যে আরেকটি মাত্র — কিন্তু এর একটি নাম আছে, একটি মুখ আছে, এবং এমন একটি গল্প আছে, যা কারও কোনোদিনই বেঁচে থাকতে হওয়া উচিত নয়।
