পারস্য সংস্কৃতিতে নারীদের গোঁফ ছিল সৌন্দর্য ও মর্যাদার প্রতীক

Por Andrea Araya Moya
12 June, 2026

ঘন ভ্রু, স্পষ্টভাবে ফুটে থাকা গোঁফ, আর পাশ্চাত্য মেকআপহীন মুখ— 19th-century Persia-তে নারীর আদর্শ সৌন্দর্য এমনই দেখাত। এটি না ছিল বিরল কিছু, না কোনো ত্রুটি — এটাই ছিল মানদণ্ড। কাজার রাজবংশের রাজকুমারীরা, শাহ Nasar al-Din-এর কন্যারা, সেই বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়েই আলোকচিত্রে ভঙ্গি দিতেন, যা ছিল স্বাতন্ত্র্য ও আভিজাত্যের চিহ্ন।

Harvard University-এর ইতিহাসবিদ Afsaneh Najmabadi তাঁর একাডেমিক বইয়ে এটি নথিভুক্ত করেছেন: সেই সময় ও সংস্কৃতিতে নারীদের মুখের লোম ছিল অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত একটি বৈশিষ্ট্য। এটি ক্ষণস্থায়ী কোনো প্রবণতা ছিল না — আজ যেমন সরু কোমর বা পূর্ণ ঠোঁটকে সৌন্দর্যের মানদণ্ড ধরা হয়, তেমনই গভীরভাবে প্রোথিত এক নান্দনিক রীতি ছিল এটি।

এটি আমাদের যে কথা মনে করিয়ে দেয়, তা নির্মম সরলতায় স্পষ্ট: সৌন্দর্যের কোনো স্থির নিয়ম নেই। প্রতিটি যুগ, প্রতিটি সংস্কৃতি, সেই ছাঁচ নতুন করে গড়ে তোলে। যা আজ তাড়াহুড়ো করে সরিয়ে ফেলা হয়, গতকাল তা-ই গর্বের সঙ্গে ধারণ করা হতো। 150 years পরে আমাদের বর্তমান কতগুলো মানদণ্ডও কি ঠিক ততটাই অদ্ভুত মনে হবে না? 🤔

Puede interesarte