পেরুর একটি সঙ্গীত একাডেমির ক্যামেরায় এমন কিছু ধরা পড়ে, যার ব্যাখ্যা এর মালিকরা দিতে পারেননি: সামনে দৃশ্যমানভাবে কাউকে বসে থাকতে না দেখেও একটি পিয়ানো বাজছে। ভিডিওটি এতটাই অস্বস্তিকর ছিল যে Telemundo-এর Al Rojo Vivo এটি বৃহস্পতিবার, 14 মে, 2026-এ প্রচার করে, ফলে রহস্যটি পেরুর একটি নাম-না-জানা স্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক দেখা স্প্যানিশ-ভাষার টেলিভিশন নেটওয়ার্কে পৌঁছে যায়।
ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক করে তোলে শুধু রেকর্ডিংয়ে যা দেখা যায় তা নয়, বরং যা দেখা যায় না তাও। একাডেমিটিকে স্থির ও নিস্তব্ধ মনে হচ্ছিল, কোনো ক্লাস চলছিল না এবং ফ্রেমে কোনো শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না, তবু যন্ত্রটি থেকে সুর বেরোচ্ছিল। এগুলো ক্লোজড-সার্কিটের ছবি নাকি মোবাইল ফোনে ধারণ করা ফুটেজ, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি; প্রতিষ্ঠানের নাম বা দেশের ভেতরে সঠিক শহরটিও প্রকাশ করা হয়নি।
যাচাইযোগ্য উৎস ছাড়া বাদ্যযন্ত্রের শব্দ শোনা যাওয়ার ঘটনা বিরল, তবে নথিভুক্ত: স্থাপত্যগত ধ্বনিবিদ্যা, কাঠামোগত কম্পন, বা অভ্যন্তরীণ যান্ত্রিক ব্যবস্থা মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই গ্র্যান্ড বা আপরাইট পিয়ানো থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু নোট সৃষ্টি করতে পারে। এখানে সেটাই ঘটেছিল কি না, নাকি রেকর্ডিংটিতে এমন কিছু রয়েছে যা প্রচলিত পদার্থবিজ্ঞান সহজে ব্যাখ্যা করতে পারে না—ভিডিওটি এখনও সেই প্রশ্নটিই খোলা রেখে যায়।
