Jamey জন্ম থেকেই স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফিতে আক্রান্ত ছিলেন। শৈশব থেকেই তিনি জানতেন যে তাঁর শরীর অন্য সবার মতো কাজ করবে না, এবং একটি হুইলচেয়ার চিরকাল তাঁর জীবনের অংশ হয়ে থাকবে।
ছোটবেলা থেকে গির্জায় গেলেও তা তাঁর জন্য যথেষ্ট ছিল না। তিনি এমন এক শূন্যতা অনুভব করতেন, যা কোনো উপাসনাসভা পূরণ করতে পারত না, কারণ যিশুর সঙ্গে তাঁর কখনো ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ হয়নি; তিনি কেবল পরিবারের সঙ্গে গির্জায় যাওয়ার রুটিনই অনুসরণ করতেন। মাধ্যমিক স্কুলে পড়ার সময় সেই শূন্যতাই তাঁকে পর্নোগ্রাফির দিকে ঠেলে দেয়—এমন কিছু খুঁজতে, যা সেই যন্ত্রণা উপশম করতে পারে, যে যন্ত্রণাটি তিনি নিজেও পুরোপুরি বুঝতেন না।

অনলাইনে বাইবেল সম্পর্কে একটি ভিডিও দেখার দিনই সবকিছু বদলে গেল। তাঁর ভেতরে কিছু একটা বদলে গেল, এবং তিনি তাঁর বিশ্বাসের সঙ্গে এক ভিন্ন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে শুরু করলেন—এমন পর্যায়ে যে তিনি ধর্মতত্ত্ব পড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। আজ Jamey তাঁর গল্পের সারাংশ তুলে ধরা একটি কথা বারবার বলেন: যিশুর তাঁর শরীর সুস্থ করার প্রয়োজন ছিল না, বরং তাঁর হৃদয়কে সুস্থ করার প্রয়োজন ছিল। আর তিনি বলেন, স্বাভাবিক শরীরের বিনিময়ে তিনি তাঁর জীবন দিতে চাইবেন না, কারণ তিনি এমন কিছু খুঁজে পেয়েছেন, যা হাঁটতে পারার চেয়েও মূল্যবান বলে তিনি মনে করেন।
