প্রতিবার লামিন ইয়ামাল গোল করলে, তিনি দুই হাত একসঙ্গে করে তিনটি সংখ্যা তৈরি করেন: 3-0-4। এটি কাকতালীয়ও নয়, কুসংস্কারও নয়। এটি মাতারোর সেই সাধারণ পাড়া রোকাফোন্দার পোস্টাল কোডের শেষাংশ, যেখানে তিনি বড় হয়েছেন।

সেখানে তাঁর মা—মূলত ইকুয়েটোরিয়াল গিনি থেকে আসা—ঘরে খাবার আনার জন্য টেবিলে পরিবেশন করতেন, আর তাঁর মরক্কোর বাবা ও মা আলাদা হয়ে যাওয়ার পর কোনোমতে চলার চেষ্টা করতেন। কোনো বিলাসিতা ছিল না। ছিল একটি বল, আর এমন এক জায়গায় স্বপ্ন দেখা এক ছেলে, যেখানে স্বপ্ন প্রায় কখনোই সত্যি হয় না।

7 বছর বয়সে, বার্সেলোনা তাঁকে লা মাসিয়ায় নিয়ে আসে। 15 বছর বয়সে, তিনি প্রথম দলের হয়ে অভিষেক করেন। 17 বছর বয়সেই, তিনি স্পেনের হয়ে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। তিনি তাঁর শিকড় ভুলে যেতে চাইতে পারতেন, কিন্তু তিনি উল্টোটা করেছেন: সেগুলোকে নিজের স্বাক্ষরে পরিণত করেছেন। আজ, রোকাফোন্দায় তাঁর মুখের ম্যুরাল রয়েছে, আর প্রতিটি গোল এমনভাবে উদ্যাপিত হয় যেন পুরো পাড়াটিই গোলটি করেছে। 🥹⚽

