1.94 মিটার। 88 কিলো খাঁটি পেশি। যখন একদল বিজ্ঞানী Erling Haaland-এর শরীর নিয়ে গবেষণা করেন, তারা এর কোনো সহজ ব্যাখ্যা খুঁজে পাননি। তারা আক্ষরিক অর্থেই বলেছিলেন, তার শারীরিক গঠন পর্যবেক্ষণ করা যেন ফিজিওলজির একটি ক্লাস নেওয়ার মতো।

কৌতূহলের বিষয় হলো, সবসময় এমন ছিল না। 16 বছর বয়সে তাকে বলা হতো ‘চিকন ছেলে’, যার শরীর বা শারীরিক উপস্থিতি বলতে কিছুই ছিল না। মাত্র দুই বছরে সে 15 কিলো খাঁটি পেশি যোগ করেছিল, আর সেটা জেনেটিক্সের কারণে নয়: সেটা ছিল এমন একটি সিস্টেমের কারণে, যা ঘুমাতে যাওয়ার 3 ঘণ্টা আগে শুরু হয়। কমলা রঙের চশমা, যেটাকে দেখে পৃথিবী হাসাহাসি করেছিল, 9 থেকে 10 ঘণ্টা পর্যবেক্ষণাধীন ঘুম, প্রতি ম্যাচের পর -110°C তাপমাত্রায় ক্রায়োথেরাপি, এবং দিনে 6,000 ক্যালরির খাদ্যতালিকা, যাতে গরুর হৃদপিণ্ড ও লিভার অন্তর্ভুক্ত থাকে।

প্রতি গোলের পর যে লোটাস উদযাপনটি আপনি দেখেন, সেটিও ক্যামেরার জন্য কোনো প্রদর্শনী নয়। এটি একটি বাস্তব ধ্যানের রুটিনের সমাপ্তি। যে শরীরকে আপনি প্রশংসা করেন, তা কেবল ফলাফল। যে অভ্যাসগুলো কেউ আপনাকে দেখায় না, সেগুলোই আসল কারণ।

