তাঁর বয়স ছিল 82 বছর এবং চার দিন ধরে তাঁর পেটে অবিরাম ব্যথা হচ্ছিল।
ইতালির বোলোনিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি নারীটি পেট ফোলা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং বমি নিয়ে সেখানে পৌঁছান। পরীক্ষায় শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা বেড়ে যাওয়া ধরা পড়ে, আর একটি CT স্ক্যানে তাঁর অন্ত্রে বাধা সৃষ্টি করা একটি কঠিন বস্তু দেখা যায়। রক্তপ্রবাহের অভাবে টিস্যু মরতে শুরু করার আগেই শল্যচিকিৎসকেরা জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।

পেটের ভেতর খুলে তাঁরা একটি ফাইটোবেজোয়ার দেখতে পান: অপাচ্য উদ্ভিজ্জ পদার্থের একটি ঘন পিণ্ড, যার আকার 5.5 সেন্টিমিটারের সামান্য বেশি। কিন্তু সেটি সরানোর সময় কিছু একটা নড়ে উঠল। একটি ছোট্ট দেহ পিণ্ড থেকে লাফিয়ে বেরিয়ে অস্ত্রোপচারের চাদরের ওপর উঠে গেল। প্রথমে তাঁরা যা ভেবেছিলেন, এটি কোনো পোকা নয়; বরং এটি ছিল একটি স্থলচর আইসোপড—কাঁকড়া ও চিংড়ির আত্মীয়—যার সাত জোড়া পা এবং খণ্ডিত বহিঃকঙ্কাল রয়েছে।

চিকিৎসকেরা মনে করেন, নারীটি সম্ভবত না-ধোয়া ফল বা সবজির সঙ্গে এটি দুর্ঘটনাবশত খেয়ে ফেলেছিলেন এবং এটিকে ঘিরে থাকা উদ্ভিজ্জ আবরণটি কয়েক দিন ধরে পরিপাকরসের অ্যাসিড থেকে প্রাণীটিকে সুরক্ষিত রেখেছিল। অস্ত্রোপচারের পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং 18 মাস পরও একটি নার্সিং হোমে জীবিত ছিলেন।
