গিলতে সম্পূর্ণ অসুবিধা, বমি এবং অতিরিক্ত লালা ঝরার পর একটি 8 বছর বয়সী ছেলেকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক্স-রেতে খাদ্যনালির উপরের অংশে আটকে থাকা একটি বড় গোলাকার বস্তু দেখা যায়, তাই চিকিৎসকেরা সন্দেহ করেন এটি একটি বিপজ্জনক বাটন ব্যাটারি, যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গুরুতর অভ্যন্তরীণ দগ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে।

ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে, চিকিৎসা দলটি সাধারণ অ্যানেস্থেশিয়ার অধীনে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে, সমস্যার স্থানে পৌঁছে তারা একটি চমকপ্রদ বিষয় আবিষ্কার করেন: এটি ব্যাটারি নয়, বরং একটির ওপর আরেকটি নিখুঁতভাবে রাখা দুটি মুদ্রা, যা এক্স-রেতে একটি মাত্র বস্তুর বিভ্রম তৈরি করেছিল।

এই আবিষ্কারটি আরও ব্যাখ্যা করে কেন ছেলেটি একেবারেই কিছু গিলতে পারছিল না: মুদ্রাগুলো এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে ছিল যে সেগুলো পুরো খাদ্যনালিজুড়ে নেক্রোসিস ও আঘাত সৃষ্টি করেছিল, যদিও সৌভাগ্যবশত সেগুলোতে ছিদ্র হয়নি।

মুদ্রাগুলো অপসারণের পর, চিকিৎসকেরা ঘাড় ও বুকের প্রধান রক্তনালিগুলোতে কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে একটি CT অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করেন। সৌভাগ্যবশত, পরীক্ষাটি নিশ্চিত করে যে কোনো বড় ধরনের আঘাত ছিল না।
টিস্যু স্বাভাবিকভাবে সেরে ওঠার সময় শিশুটিকে দুই সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত কোনো জটিলতা ছাড়াই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী ফলো-আপ পরীক্ষায় বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেন যে খাদ্যনালি সঠিকভাবে সেরে উঠেছে।



ঘटनাটি একটি চিকিৎসা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছিল, কারণ এটি দেখায় যে দুটি সাধারণ মুদ্রা কীভাবে এক্স-রেতে একটি বিপজ্জনক বাটন ব্যাটারির চেহারা অনুকরণ করতে পারে—এমন একটি পার্থক্য যা রোগীর চিকিৎসা ও জরুরিতার মাত্রা সম্পূর্ণভাবে বদলে দিতে পারে।
