ছয় মাসের মধ্যে ব্রাজিলে আর ফোয়া গ্রা উৎপাদন বা বিক্রি করা সম্ভব হবে না। নতুন আইনটি জোর করে খাওয়ানোর শিকার হাঁস ও রাজহাঁসের যকৃত দিয়ে তৈরি পাতে নিষিদ্ধ করেছে—এমন একটি কৌশল, যা প্রাণী সুরক্ষা সংস্থাগুলো বছরের পর বছর ধরে এর সৃষ্ট যন্ত্রণা এবং পাখির মৃত্যুহার বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে নিন্দা করে আসছে।

যারা এই প্রথা চালিয়ে যাবে, তাদের শুধু জরিমানা দিতে হবে না: বিধিমালায় এমনকি কারাদণ্ডেরও ব্যবস্থা রয়েছে। এমন একটি পণ্যের জন্য এটি এক কঠোর পরিবর্তন, যা এখন পর্যন্ত দেশের রেস্তোরাঁ ও গুরমে দোকানগুলোতে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবেই বিক্রি হতো।

খবরটি মহাসাগর পেরিয়ে সরাসরি ফ্রান্সের হৃদয়ে পৌঁছেছে, যেখানে ফোয়া গ্রা শুধু খাবার নয়: এটি জাতীয় পরিচয়। ফরাসি উৎপাদকরা ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছেন যে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মারকোসুরের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ব্রাজিলে প্রাণী কল্যাণ আইন হিসেবে যা শুরু হয়েছিল, তা এখন অন্য মাত্রার কূটনৈতিক সংঘাতে পরিণত হওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

