একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ চোখের ভেতরটা পরীক্ষা করে এমন কিছু খুঁজে পান, যা দেখতে যেন ক্ষুদ্র এক তুষারঝড় থেকে এসেছে: ডজন ডজন সাদাটে কণা ভাসমান অবস্থায় আছে, আর চোখ ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো নড়ে ওঠে।

এই নির্ণয়ের একটি আনুষ্ঠানিক নাম আছে, asteroid hyalosis, এবং এটি ঘটে ভিট্রিয়াস হিউমারের ভেতরে, সেই জেলির মতো পদার্থে যা চোখের ভেতরটা পূর্ণ করে এবং তাকে আকার দেয়। এগুলো ক্যালসিয়াম ও চর্বির জমা, যা বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকে এবং জেলের মধ্যে ঝুলে থাকা ছোট ছোট তারার মতো ভাসমান অবস্থায় থাকে। শুনতে এটি অস্বস্তিকর লাগে, আর দেখতেও তাই, কিন্তু যাদের এটি আছে তাদের বেশিরভাগই তা জানেও না।

সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, চোখের পরীক্ষার সময় ওই কণাগুলো দেখা যতই দৃষ্টিগ্রাহ্য হোক না কেন, সেগুলো প্রায় কখনোই দৃষ্টিশক্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে না। চোখ এগুলোর সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখে, আর জীবন চলতে থাকে যেন ভেতরে কিছুই ভাসছে না।
