লি মেইঝেন হেংশুই লেক ম্যারাথনে (চীন) 34 কিলোমিটার দৌড়েছিলেন, যখন তিনি শরীরে কিছু পরিবর্তন অনুভব করেন। সেখানেই, দৌড়ের মাঝখানে, ক্যামেরা ও দর্শকদের সামনে তার মাসিক শুরু হয়েছিল। তার সামনে তখনও প্রায় 8 কিলোমিটার বাকি ছিল।

তিনি থামেননি। পায়ে রক্তের দাগ নিয়ে তিনি দৌড়াতে থাকেন, যতক্ষণ না 2 hours and 35 minutes-এর অসাধারণ সময়ে ফিনিশ লাইন অতিক্রম করেন—যা একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যাম্পিয়নশিপে যোগ্যতা অর্জনের জন্য তার ঠিক প্রয়োজন ছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ যখন তাকে জিজ্ঞেস করেছিল কেন তিনি দৌড় থেকে সরে দাঁড়াননি, তিনি সহজভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন: তিনি যদি সরে দাঁড়াতেন, তাহলে যোগ্যতার সময় অর্জনের জন্য তাকে আরেকটি পুরো ম্যারাথন দৌড়াতে হতো।

তার গল্পটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল, বিকৃত কৌতূহলের কারণে নয়, বরং সম্মানের কারণে। হাজার হাজার মানুষ এটিকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করেছেন যে মাসিক একজন ক্রীড়াবিদের জীবনের স্বাভাবিক অংশ, লজ্জার কারণ নয় বা সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করার বাধাও নয়। আপনি কী মনে করেন?
ভিডিও:
