কিছু মানুষের ভালো লাগার জন্য সব সময় সঙ্গ দরকার হয়। আর কেউ কেউ নিজেদের নীরবতা, একা কাটানো বিকেল, নিজের ছন্দ উপভোগ করেন। মনোবিজ্ঞান দেখেছে, এই দ্বিতীয় দলটির রোমান্টিক সম্পর্কে সাধারণত একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে: বেশি বিশ্বস্ততা এবং বেশি স্থিতিশীলতা।

এর ব্যাখ্যাটি রোমান্টিক নয়, বাস্তবধর্মী। যে ব্যক্তি একা থাকতে স্বচ্ছন্দ, সে তার সঙ্গীকে বেছে নেয়, একাকীত্বের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে না। এতে সবকিছু বদলে যায়: বেশি আত্মনিয়ন্ত্রণ দেখা দেয়, কম আবেগপ্রবণতা, আরও স্পষ্ট সীমারেখা, এবং এমন বন্ধন যা প্রয়োজনের কারণে নয়, সত্যিকারের বলে মনে হয়। তারা সাধারণত সংখ্যার চেয়ে গুণগত মানকে অগ্রাধিকার দেয়, উপর উপর সম্পর্ক জড়ো করার বদলে এমন দৃঢ় সংযোগ গড়ে তোলে যা সময়ের প্রবাহেও টিকে থাকে।

তবে, একাকিত্ব উপভোগ করা নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার মতো নয়। মূল বিষয়টি হলো, নিজেকে সম্পূর্ণ মনে করার জন্য অন্য কারও ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে নিজের সঙ্গে ভালো থাকতে পারা। এই গবেষণা অনুযায়ী, আবেগগত স্বনির্ভরতা হয়তো আরও সচেতন ও বিশ্বস্ত সম্পর্কের পেছনের নীরব উপাদান।
