ইকুয়েডরের একটি প্রস্তাব সন্তানদের চিকিৎসা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পিতামাতারা কতদূর যেতে পারেন তা নিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
অ্যাসেম্বলিওম্যান Diana Jácome এমন একটি সংস্কারকে এগিয়ে নিয়েছেন, যাতে পিতামাতার কর্তৃত্ব থেকে বঞ্চিত করার কারণ হিসেবে এমন ঘটনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে পিতামাতারা কোনো শিশু বা কিশোরের জৈবিক লিঙ্গ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে চিকিৎসাগত, অস্ত্রোপচারমূলক বা ওষুধভিত্তিক হস্তক্ষেপকে উৎসাহিত করেন।

উদ্যোগটির পক্ষে সাফ কথা বলেছেন Jácome: “যে কেউ কোনো শিশুর জৈবিক লিঙ্গ পরিবর্তনের চেষ্টা করলে পিতামাতার কর্তৃত্ব হারাবেন”।
প্রস্তাবটিতে ইন্টারসেক্স অবস্থা-সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য কঠোরভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাগত হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিষয়টি বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি কেবল কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের নাম বা লিঙ্গ পরিচয় পরিবর্তনের ব্যাপার নয়। পাঠ্যটিতে বিশেষভাবে জৈবিক লিঙ্গ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে চিকিৎসাগত, অস্ত্রোপচারমূলক বা ওষুধভিত্তিক হস্তক্ষেপ-এর কথা বলা হয়েছে।
এই পদক্ষেপটি দত্তক গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বৃহত্তর সংস্কারের অংশ। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: এর অর্থ এই নয় যে, লিঙ্গ পরিবর্তনকে সমর্থন করার কারণে কোনো পিতামাতা বর্তমানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের সন্তানকে হারান। এটি একটি আইনি বিধান, যা পিতামাতার কর্তৃত্ব থেকে বঞ্চিত করার কারণ নির্ধারণ করে এবং যার প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

বিতর্কটি একটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল প্রশ্ন উত্থাপন করে: কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের লিঙ্গ ও পরিচয়-সংক্রান্ত চিকিৎসা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার হওয়া উচিত: পিতামাতার, চিকিৎসকদের, কিশোরের নিজের, নাকি রাষ্ট্রের?
