মুর্তজা আহমাদি যখন 5 বছর বয়সী, তখন তার ভাই হামায়ুন ফেসবুকে একটি ছবি আপলোড করেছিলেন, যা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে: আফগানিস্তানে থাকা ছোট্ট ছেলেটি গর্বভরে পোজ দিয়েছিল একটি নীল-সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগ পরে, যার ওপর সে 10 নম্বর এঁকেছিল। সেটাই ছিল তার মেসির জার্সি। সেই ছবি মহাসাগর পেরিয়ে পৌঁছে যায় স্বয়ং লিওনেলের কাছে, আর তারকা তাকে পাঠান স্বাক্ষর করা দুটি জার্সি ও একটি বল। কিন্তু গল্পটি এমন এক মোড় নেয়, যা কেউ আশা করেনি: ছেলেটির খ্যাতি অপহরণের হুমকি ডেকে আনে, এবং তাকে রক্ষা করতে পরিবারকে গজনি থেকে পাকিস্তানে পালিয়ে যেতে হয়। 💙

13 December, 2016-এ, কাতারের দোহায়, সেই মুহূর্তটি ঘটেছিল যার জন্য বিশ্ব অপেক্ষা করছিল। মুর্তজা, তখন 6 বছর বয়সী, সেই মাঠে হেঁটে ঢুকেছিল যেখানে FC Barcelona একটি প্রীতি ম্যাচ খেলছিল এবং মেসির মুখোমুখি হয়েছিল। এরপর সে যা করেছিল, তাতেই সব বলা হয়ে যায়: সে মেসির পা জড়িয়ে ধরেছিল এবং ছাড়তে চাইছিল না। মেসি তাকে কোলে তুলে নেন, হাসেন, আর Qatar 2022 World Cup Committee একটি টুইটে সেটিকে এভাবেই সংক্ষেপে বলেছিল: “যে ছবি বিশ্ব দেখতে চেয়েছিল”। 🤍

যে ছেলেটি হাতে যা ছিল তা দিয়েই একটি জার্সি বানিয়ে নিয়েছিল, তার জন্য সেই আলিঙ্গন যে কোনো ট্রফির চেয়েও বেশি মূল্যবান ছিল। 🏆

