একটি ভিডিওতে কথিত NASA-র একটি লাইভ সম্প্রচার দেখানো হয়েছে —হঠাৎ কেটে দেওয়া হয়েছিল— যেখানে নাকি ফ্লোরিডার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি অজ্ঞাত বস্তু দেখা গিয়েছিল। FAA নাকি একটি সতর্কতা জারি করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী নাকি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ছিল। সবকিছুই জরুরি, সরকারি এবং ভয়াবহ শোনাচ্ছিল। সবই ছিল মিথ্যা।

ওই বিষয়বস্তু নিয়ে করা ফ্যাক্ট-চেকগুলো এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া। প্রমাণগুলো ইঙ্গিত করে যে এটি ভিডিও সম্পাদনার সরঞ্জাম বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, এমন প্রযুক্তি যা আজ এমন মাত্রার সূক্ষ্মতায় ভুয়া প্রাতিষ্ঠানিক সম্প্রচার তৈরি করা সম্ভব করে যে প্রথম নজরে তা ধরা কঠিন। NASA এমন কোনো সম্প্রচার করেনি, FAA ওই সতর্কতা জারি করেনি, এবং বিমানবাহিনীও ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নির্দেশ পায়নি।

এই ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ঠিক এই কারণেই কাজ করে যে এটি বিশ্বাসযোগ্য উপাদানগুলোকে একত্র করে: বাস্তব সংস্থা, সরকারি পরিভাষা, এবং ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে— এমন বর্ণনার আকর্ষণ। যদি কোনো ভিডিও আপনাকে বলে যে গুরুত্বপূর্ণ অংশের ঠিক আগে কেউ সংকেত কেটে দিয়েছে, তাহলে সেটিই থেমে উৎস যাচাই করার মুহূর্ত, শেয়ার করার আগে।
