24 জন মৃত, তাদের মধ্যে 17 জনই শিশু। এটাই উগান্ডার Kibale National Park-এর ভেতরে একসময় সম্পূর্ণ সখ্যে বসবাস করা শিম্পাঞ্জিদের মধ্যে আট বছরের গৃহযুদ্ধের মাশুল। 🐒

Ngogo দল —প্রায় 200 সদস্য নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড়— 2018 সালে দুইটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে যায়, এবং তারপর থেকে তাদের মধ্যে হামলা থামেনি। বিজ্ঞানীরা তিনটি সম্ভাব্য কারণ চিহ্নিত করেছেন: 2014 সালে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পুরুষের মৃত্যু, 2015 সালে নেতৃত্বের পরিবর্তন, এবং 2017 সালে একটি শ্বাসযন্ত্রের মহামারি, যা “দুই গোষ্ঠীকে সংযুক্ত রাখা শেষ দিকের সদস্যদের একজনকে” নিশ্চিহ্ন করে দেয়।
গবেষকদের সবচেয়ে বেশি বিস্মিত করছে সহিংসতা নিজে নয় —শিম্পাঞ্জিরা স্বভাবগতভাবেই এলাকা-সচেতন— বরং এটি ঘটছে তাদের মধ্যেই, যারা একসঙ্গে কয়েক দশক জীবন কাটিয়েছে। Science-এ প্রকাশিত গবেষণার উপসংহার? যদি ধর্ম, জাতিসত্তা বা মতাদর্শ জড়িত না থাকলেও এমনটা ঘটে, তবে গোষ্ঠীগত গতিশীলতাই মানব সংঘাতের সবচেয়ে গভীর শিকড় হতে পারে। আপনার কী মনে হয়?
