এলিয়াস বহু বছর ধরে সেই মুহূর্তের স্বপ্ন দেখেছিলেন। আর যখন তা এসে গেল, তিনি নিজেকে সামলাতে পারেননি।
তার মেয়ের জন্ম হয় 24 জুন 17:35-এ মার দেল প্লাতার মাতৃ ও শিশু হাসপাতালে — ঠিক যেদিন লিওনেল মেসির 39 পূর্ণ হয়। প্রসবের আশা করা হয়েছিল আগের সপ্তাহে, কিন্তু কারও পরিকল্পনা ছাড়াই তা দেরি হয়ে যায়।

ঘড়িতে তারিখ দেখে এলিয়াস এমন একটি ভাবনা মাথায় আনলেন, যা কোনো নথিই মুছে ফেলতে পারবে না: তারা আগে থেকেই যে নামটি ঠিক করেছিলেন, তা বদলে দেওয়া। স্ট্রেচার থেকে তিনি ব্রিসাকে প্রস্তাব দেন, তাদের মেয়ের নাম রাখা হোক Ainhoa Messia Aguilar। কক্ষে ভর্তি থাকা অন্য মায়েরাও তা শুনেছিলেন, আর সবাই সম্মতি দিয়েছিলেন।

ব্রিসা স্বীকার করেন, প্রথমে বিষয়টি তার কাছে অদ্ভুত লেগেছিল। কিন্তু তারা একসঙ্গে এর অর্থ খুঁজে দেখেন: “Messia” হিব্রু থেকে এসেছে এবং এর অর্থ “অভিষিক্তজন”। শেষ পর্যন্ত সেটাই তাকে রাজি করায়।

শিশুটির ওজন ছিল 3,125 কিলো, এবং সে এমন একটি নাম নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে, যা একই সঙ্গে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার গল্প এবং জীবনের জন্য একটি উপহার। এখন পরিবারের একটাই ইচ্ছা: এই গল্পটি যেন মেসির কাছে পৌঁছে। 🌟
