এক তরুণী 6 মাসের গর্ভবতী ছিলেন, যখন আল্ট্রাসাউন্ডে এমন কিছু দেখা গেল যা তিনি কখনো কল্পনাও করেননি: তাঁর শিশুর পা ছিল না, আর তার শরীরে ছোট্ট মারমেইডের লেজের মতো একটি গঠন ছিল। রোগনির্ণয়টি যেমন অদ্ভুত, তেমনি বিধ্বংসী ছিল: শিশুটির সাইরেনোমেলিয়া হয়েছিল, যা “মারমেইড সিনড্রোম” নামে পরিচিত অত্যন্ত বিরল একটি জন্মগত বিকৃতি।
23 বছর বয়সী ওই নারী অর্ধেক বছর ধরে গর্ভবতী ছিলেন, যখন চিকিৎসকেরা জানতে পারেন যে পা না থাকার পাশাপাশি ভ্রূণের মূত্রাশয়ও ছিল না এবং যকৃত ছিল অনুন্নত। বিশেষজ্ঞেরা ব্যাখ্যা করেন, শিশুটি জন্মালেও সম্ভবত মাত্র কয়েক ঘণ্টা বেঁচে থাকত।

এই রোগনির্ণয়ের মুখে তাঁকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলোর একটি নিতে হয়েছিল—গর্ভাবস্থা শেষ করতে হয়েছিল। সাইরেনোমেলিয়া অত্যন্ত বিরল একটি অবস্থা: প্রতি 60.000 থেকে 100.000টি জন্মের মধ্যে একটিতে এটি দেখা যায় বলে অনুমান করা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই জীবনের প্রথম মুহূর্তগুলোতে এটি প্রাণঘাতী হয়। 💔
