লিলি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি স্কুলের মাঠের কাছে শুধু খাবারের উচ্ছিষ্ট খুঁজছিল। ওই এলাকার অনেক কুকুরের মতোই সে রাস্তায় থাকত, তার কোনো মালিক বা আশ্রয় ছিল না। কিন্তু স্কুলের একজন প্রধানশিক্ষক তার উপস্থিতিকে সমস্যা বলে মনে করেন এবং এমন একটি নির্দেশ দেন, যা কোনো প্রাণীর প্রাপ্য নয়: তাকে জীবন্ত কবর দিতে হবে।

দুইজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী গর্তটি খুঁড়ে তাকে মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়, তাকে সেখানে দেড় মিটার গভীরে রেখে, যেখানে প্রায় কোনো বাতাসই ছিল না। কেউ একজন গোপনে International Fund for Animal Welfare-কে খবর দেয়, এবং তাদের স্বেচ্ছাসেবকেরা সময়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে খুঁড়তে পৌঁছান। 30 মিনিট পরে তারা তাকে খুঁজে পান, তখনও জীবিত, মাটির নিচে কাঁপছিল।

সৌভাগ্যবশত, ছোট্টটি বেঁচে যেতে সক্ষম হয়, এবং প্রধানশিক্ষক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়; তারা জরিমানা ও ফৌজদারি সাজা পায়, আর কর্মীরা তাদের চাকরি হারায়। তার গল্পটি একই স্কুলে একটি প্রাণী কল্যাণ কর্মসূচির সূচনা করে, এবং লিলিকে একজন সাংবাদিক দত্তক নেন, অবশেষে সে তার প্রাপ্য একটি ঘর খুঁজে পায়। ❤️🩹
