হংকংয়ে তারা বলেছে “যদি সে পরিবারের অংশ হয়, তবে তারও নিজস্ব আইডি প্রাপ্য”। সেখানে, কিছু মালিক তাদের পোষা প্রাণীর জন্য এমন কার্ড বানান যা একেবারে আসল নথির মতো দেখায়, যেখানে ছবি, নাম এবং যোগাযোগের তথ্য থাকে। আর হ্যাঁ, কাজে লাগার পাশাপাশি, ছোট্ট লোমশ নাগরিকদের মতো পোজ দিলে ওদের ভীষণই মিষ্টি লাগে।
কার্ডগুলো একটি সরকারি আইডির নকশা অনুকরণ করে, এবং অনেকগুলোতে জাত, জন্মতারিখ, এমনকি মালিকের তথ্যও থাকে। মূলত, আপনার কুকুর “Firulais” থেকে “Mr. Firulais with documentation” হয়ে যায়।

আর যদিও এগুলো সরকারি নথি নয়, তবুও এগুলোর বাস্তব ব্যবহার আছে। পোষা প্রাণী হারিয়ে গেলে এগুলো খুব সাহায্য করতে পারে, কারণ যে-ই তাকে খুঁজে পাবে সে দ্রুত যোগাযোগের তথ্য পেয়ে যাবে।
কিছু আবার ডিজিটাল, বা NFC প্রযুক্তিসহ আসে, তাই মালিকের তথ্য পেতে শুধু ফোনটা এর কাছে ধরলেই হয়। তাই, আদুরে হওয়ার পাশাপাশি, এগুলো বেশ আধুনিকও।

কিন্তু সত্যি বলতে, এর আকর্ষণের বড় একটা অংশ অন্য জায়গায়: কুকুর আর বিড়ালদের তাদের ছোট্ট পাসপোর্ট-স্টাইলের ছবিতে দেখা। কারণ হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত ওদের সবাইকে এমন লাগে যেন তারা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে বা বিদেশ ভ্রমণে যেতে প্রস্তুত।

ইশ, যদি এটা আরও বেশি দেশে থাকত, কারণ পোষা প্রাণীদের জন্য আইডি কার্ড থাকা শুধু উপকারীই নয়… এটা অবিশ্বাস্য রকমের আদুরেও 🐶
