

আপনি সেখানে যা দেখছেন, তা চুল নয়। এগুলো এত ক্ষুদ্র ও নিখুঁত পালক যে হাতে আঁকা চোখের পাপড়ির মতো দেখায়।
ফটোগ্রাফার Nicolas Reusens এই ছবিটি প্রকৃত আকারের 3 থেকে 3.5 গুণ বিবর্ধনে ধারণ করেছেন, আর এতে হামিংবার্ডের চোখের পাতার প্রান্ত এমন বিশদে দেখা যাচ্ছে, যা কোনো মানুষের চোখ সহায়তা ছাড়া দেখতে পারে না। গবেষকেরা মনে করেন, এই গঠনগুলোর একটি অত্যন্ত নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে: এগুলো একটি ঢালের মতো কাজ করে, ফুল ও ডালের মাঝখান দিয়ে সর্বোচ্চ গতিতে উড়ে চলার সময় বাতাসের কণার হাত থেকে পাখিটির চোখকে রক্ষা করে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রাণিজগতে এমন ঘটনা কতটা বিরল। এখন পর্যন্ত গবেষণা করা পাখিদের পরিবারের মাত্র একটি ক্ষুদ্র অংশে এই পালকের ‘চোখের পাপড়ি’ নথিভুক্ত হয়েছে, যা এই হামিংবার্ডটিকে ক্যামেরার সামনে নিছক কাকতালীয়ভাবে ধরা পড়া এক বিবর্তনগত বিরল উদাহরণে পরিণত করেছে।


