
2014 সালে Nikolai Kryaglyachenko-র বয়স ছিল 12 বছর, যখন তার দাবি ছিল, একটি খুঁটি তার জীবন বদলে দিয়েছে। সাইবেরিয়ার ওমস্কের এই বালক বলেছিল, স্কুল থেকে ফেরার পর ত্রুটিপূর্ণ তারযুক্ত একটি খুঁটিতে হেলান দিতেই সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে। তার বর্ণনা অনুযায়ী, সে হতবুদ্ধি অবস্থায় বাড়ি পৌঁছে মাকে সব বলে, আর পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে তার শরীরে কয়েন আটকে আছে। সে আরও বলেছিল, নাশতার সময় তার হাত থেকে পড়ে যাওয়া একটি চামচ তার বুকে আটকে গিয়েছিল।

কমিক বইয়ের ভক্ত Nikolai দ্রুতই তার এই ক্ষমতার নাম দেয় ম্যাগনেটো-ধাঁচের শক্তি। সে স্বীকার করেছিল, ক্ষমতাটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারত না এবং কখনো কখনো অনিচ্ছাকৃতভাবে জিনিসপত্র আকর্ষণ করত। তবে এই গল্প তাকে তার স্কুলের সহপাঠীদের মধ্যে ছোটখাটো তারকায় পরিণত করে, যারা তাকে প্রায়ই সেই ক্ষমতার প্রদর্শনী দেখাতে বলত।

তবে বিজ্ঞানের কাছে এই ধরনের ঘটনার অনেক বেশি বাস্তবসম্মত ব্যাখ্যা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে বলেন, মানবদেহ চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে না এবং বস্তু আটকে থাকে ত্বকের কারণেই: ঘর্ষণ ও প্রাকৃতিক তেল একধরনের সাকশন কাপের মতো কাজ করে, যা কয়েন বা কাটলারির মতো হালকা জিনিস আটকে রাখে।
