যেদিন মানবতা বহির্জাগতিক বুদ্ধিমত্তার কোনো সংকেত শনাক্ত করবে, সেই দিনের জন্য একটি সরকারি প্রোটোকল রয়েছে। এটি ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব অ্যাস্ট্রোনটিক্স (IAA) প্রণয়ন করেছিল, এবং 15 বছরেরও বেশি সময় পর এবারই প্রথম এটি হালনাগাদ করা হয়েছে। এটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনি নয়: এটি একটি বাস্তব নথি, যেখানে বিজ্ঞানীরা কীভাবে প্রমাণ মূল্যায়ন করবেন, তা যাচাই করবেন এবং সুশৃঙ্খলভাবে বিশ্বকে জানাবেন—তার জন্য নির্দিষ্ট ধাপ রয়েছে।

যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা হলো পাঠ্যটি যাকে “সাড়া না দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য” বলে অভিহিত করেছে। নিয়মটি একেবারেই স্পষ্ট: যদি কোনো বহির্জাগতিক সংকেত শনাক্ত হয়, তবে কোনো দেশ, কোনো মহাকাশ সংস্থা এবং কোনো বিজ্ঞানী নিজের উদ্যোগে কোনো জবাব পাঠাতে পারবেন না। ঘোষণায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে — পাল্টা কোনো বার্তা প্রেরণ করা সমগ্র মানবতার সিদ্ধান্তের বিষয়, এবং তা অবশ্যই জাতিসংঘের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরামর্শের পরেই নেওয়া যেতে পারে।

যে প্রশ্নটি বাতাসে ঝুলে থাকে, তা অনিবার্য: যদি তারা এত বিস্তারিতভাবে এই প্রোটোকল প্রস্তুত করতে কয়েক দশক ব্যয় করে থাকে, তবে সেই মুহূর্তটি সত্যিই এসে পৌঁছানোর সম্ভাবনাকে বিজ্ঞানীরা বাস্তবে কতটা বলে মনে করেন?

