ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বয়স 41 বছর। বিজ্ঞান অনুযায়ী, তার শরীর যেন সেই বার্তাই পায়নি। 📉

বায়োটেকনোলজিস্ট তামারা মার্টিন ব্যাখ্যা করেন যে, অভ্যাস-অনুকূলিত এলিট ক্রীড়াবিদদের ক্ষেত্রে জৈবিক বয়স প্রকৃত বয়সের তুলনায় 15 বছর পর্যন্ত পিছিয়ে থাকতে পারে। রোনালদোর ক্ষেত্রে এই পার্থক্য 13 বছরে পৌঁছেছে। এর রহস্য? জাদুকরী কিছু নয়: তিনি প্রতি রাতে 7 থেকে 8 ঘণ্টা ঘুমান, দিনে 17,000-এর বেশি পদক্ষেপ হাঁটেন, এবং 30 বছর বয়সে পৌঁছানোর পর থেকে নিজের রুটিনে ক্রায়োথেরাপি, বরফস্নান এবং পেশি কমপ্রেশন যুক্ত করেছেন।

ডাক্তার আলবের্তো ওর্তেগন বিষয়টি এভাবে সংক্ষেপে বলেন: শরীরকে যত বেশি চাপ দেওয়া হয়, বিশ্রাম ও পুষ্টির তত বেশি যত্ন নিতে হয়। রোনালদো দিনে ছয়বার খান, প্রতি তিন বা চার ঘণ্টা পরপর, যাতে তার গতি কখনও কমে না যায়। ফলাফল তো আপনি জানেনই: তিনি এখনও বিশ্বকাপে গোল করে চলেছেন, যেখানে অনেক খেলোয়াড়ের তো খেলবার সুযোগই হয় না। 🐐

