Jack Nicholson-এর বয়স তখন 37 বছর, তিনি ইতিমধ্যেই Hollywood-এর তারকা, এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে নিজের গল্প তিনি পুরোপুরি জানেন। তাঁর একজন মা ছিলেন, একজন বোন ছিলেন, একটি পরিবার ছিল। যতক্ষণ না কেউ তাঁকে জানায় যে সবকিছুই ছিল ভালোবাসা দিয়ে গড়া মিথ্যার এক নির্মাণ—তবু শেষ পর্যন্ত মিথ্যাই।
যে নারীকে তিনি বিশ্বাস করে বড় হয়েছিলেন যে তিনি তাঁর মা, তিনি আসলে ছিলেন তাঁর দাদি। আর যে তরুণীকে তিনি সারাজীবন তাঁর বড় বোন বলে জেনেছিলেন, তিনিই ছিলেন সেই নারী যিনি তাঁকে পৃথিবীতে এনেছিলেন। তাঁর জৈবিক মা, June Frances Nicholson, 1937 সালে 17 বছর বয়সে তাঁকে জন্ম দেন — এমন এক সময়ে, যখন সেই গর্ভধারণকে পারিবারিক কলঙ্ক হিসেবে দেখা হতো। তাঁকে রক্ষা করতে, পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল Jack-কে তাঁর দাদা-দাদির ছেলে হিসেবে বড় করবে এবং এই গোপন সত্য চাপা দেবে।

সবচেয়ে শিহরণজাগানো বিষয়টি মিথ্যেটি নিজে নয়, বরং এটি কত দীর্ঘস্থায়ী ছিল: প্রায় চার দশক ধরে জন্মদিন, কথোপকথন আর আলিঙ্গন কেটে গেছে, অথচ কেউ একটি কথাও বলেনি। Nicholson সত্যটি জানতে পারেন একটি সাংবাদিকতামূলক অনুসন্ধানের মাধ্যমে, যখন তাঁর দাদি এবং তাঁর জৈবিক মা—দুজনেই তখন ইতিমধ্যে মারা গিয়েছিলেন। তিনি আর কখনও তাঁদের কিছু জিজ্ঞেস করতে পারেননি। 💔
